ভাষা আন্দোলনের না বলা কিছু ঘটনা

ফন্ট সাইজ:
গাদ্দারে কওম খাকছার পার্টির নেতা আল্লামা মাশরেকী, মাওলানা মওদুদী, দেওবন্দী হোসেন আহমদ মাদানী , মাওলানা আজাদ গোষ্ঠীর মোল্লারা যথা গান্ধী মহারাজের চেলারা যেমনি হিন্দুস্থানে মুসলিম আবাসভূমির প্রবক্তা ‘কায়েদে আজমকে’ ‘কায়েদে আজমকে’ ‘কাফেরে আজম’ বলতো, তারা আদাজল খেয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে উঠে-পড়ে লেগেছিল। আল্লামা মাশরেকী কায়েদে আজমকে হত্যা করার জন্য তাঁর বোে ম্বর মালাবারহিল বাসভবনে এক খাকছার-কে পাঠায়, সেই খাকছারই ছুরিকাঘাতে কায়েদে আজমকে আহত করে। তেমনি ১৯৫২ সালে বিদ্রোহী ‘২১ শে ফেব্রুয়ারী’ ও ২১ শে ফেব্রুয়ারী উত্তর ঢাকা-নারায়নগঞ্জ রাজপথ কাঁপানো রক্তাক্ত সংগ্রামেরও বিরুদ্ধে ছিল। মুলত উর্দূকে রাষ্ট্রভাষা করা পক্ষে ছিল তাদের অবস্থান কৌশলে বলত ‘আরবী হরফে বাংলা লিখতে চাই’। একই ভাবে বাংলার রক্তক্ষয়ী আজাদী সংগ্রামে তারা ছিল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ‘‘আলবদর’’ আল-সামস’’ রাজাকার ও খুনী বাহিনীর সংগঠক। 
     রক্তস্নাত বিদ্রোহী’ ২১শে ফেব্রুয়ারীর পূর্বদিন ২০ শে ফেব্রুয়ারী অপরাহ্নে খুনী নূরুল আমিন সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে। জারিকৃত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিরুদ্ধে ধনুর্ভঙ্গ পণে, কমরেড মনি সিংহের নেতৃত্বাধীন কমিউনিষ্ট পার্টি, আওয়ামী মুসলিম লীগ নেতৃত্ব (মজলুম নেতা মাওলানা ভাসানী ঢাকার বাহিরে নরসিংদীর গ্রামাঞ্চলে জনসভায় ছিলেন) যথা আতাউর রহমান খান, জেনারেল সেক্রেটারী শাসমসুল হক, তদানীন্তন সাপ্তাহিক ইত্তেফাক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, সহ-সভাপতি খয়রাত হোসেন এম,এল,এ,মিসেস আনোয়ারা খাতুন এম,এল,এ, তমদ্দুন মজলিশ নেতা অধ্যাপক আবুল কাসেম সহ পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামসুল হক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক খালেক নেওয়াজ খাঁন, তাদের সহনেতা সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের কনভেনর কাজী গোলাম মাহবুব ও পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের সহ-সভাপতি মোঃ তোয়াহা প্রমুখ অনেকেই জনাব আবুল হাশিম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভায় ২১ শে ফেব্রুয়ারীতে জারিকৃত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী ছিল। অপরদিকে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক অলি আহাদ, ঢাকা ইউনিভার্সিটি কমিটি অব একশন কনভেনর আবদুল মতিন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র ইউনিয়ন সহ-সভাপতি গোলাম মাওলা, ফজলুল হক হলের সহ-সভাপতি শামসুল আলম ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে ভোট দেন। অর্থাৎ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে ৪ ভোট এবং বিপক্ষে ১১ ভোট পড়ে। ১৪৪ ধারা না ভাঙ্গার পক্ষে তাদের যুক্ত ছিল সামনে নির্বাচন। ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত হবে হটকারী। ১৪৪ ধারা ভঙ্গের আন্দোলনে গেলে আমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যাবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে যাবে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে নূরুল আমিনের মুখ্য মন্ত্রিত্বকালে সাধারণ নির্বাচন হয় এবং বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ বিরোধীরাই যুক্তফ্রন্টের পাতাকা তলে নির্বাচিত হয় ও মন্ত্রী মেম্বার-প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়- বাড়ী গাড়ি অবৈধ অর্থের কুমীর হয়। মাওলানা ভাসানী বা ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারী কেউই মন্ত্রী-মেম্বার হয় নাই বা অবৈধ বাড়ি-গাড়ির মালিকও হয় নাই-ইহাই ইতিহাস কেউ মানোক আর না মানোক। মোঃ সুলতান ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারীদের একজন। ৩১ শে ডিসেম্বর ১৯৮৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় বিনা চিকিৎসায় তাকে মরতে হয়েছে। বেতের টুমি আর লুঙ্গীওয়ালা মাওলানা ভাসানীর ইত্তেফাক পত্রিকা অন্যায়ভাবে তোফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া) স্বীয় নামে সরকারী প্রভাবে হস্তান্তর করে নেয়। সর্বজন বরেণ্য মাওলানা ভাসানীর মত নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিকের ইহাই যদি অদৃষ্ট হয়, তাহলে সৎ নিষ্ট সাধারণ রাজনৈতিক কমীদের ভাগ্য হবে রাস্তাঘাটে দিন গুজরান। সূফিয়া খান এশিয়ার প্রাচীনতম মহিলা কলেজ Lady Hardings College for Women ডড়সবহ হতে বি,এ, পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিবাস চামেলী-হাউসে রেসিডেন্ট ছাত্রী হিসেবে এম,এ ক্লাশে ভর্তি হন। ১৯৪৮ সাল হইতে ১৯৫২ সাল পর্যণÍ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অত্যন্ত বিদ্রোহী ছাত্রী নেত্রী হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেন। ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সূচনা লগ্নে যেমনি, ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের নিম্ববেতনভুক কর্মচারী আন্দোলনে ও ১৯৫২ সালে পূর্ব পাক যুবলীগ গঠনের সম্মেলনে তিনি একজন উৎসাহী সংগঠক ছিলেন। পরিতাপের বিষয় ‘৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী দিন থেকে রক্তক্ষরা সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন কিংবা ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গন কোথাও তিনি আমার নজরে পড়েন নাই। 
     একুশে ফেব্রুয়ারী আমতালার সভায় টিয়ার গ্যাস সেলে জ্ঞান হারানোর দাবিদার গাজীউল হক জ্ঞান ফিরে পাবার পর রাতেই নর্থ বেঙ্গল এক্সপ্রেস ট্রেনে কে ২২ শে ফেব্রুয়ারী সকালে তিনি ময়মনসিংহে নেমে ডঃ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর শ্বশুর অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট ও অবিভক্ত বাংলার শেরে বাংলার নেতৃত্বাধীন কৃষক প্রজা পার্টির নির্বাচিত বেঙ্গল লেজেসলিটিভ এসেম্লীর সাবেক সদস্য (এম,এল,এ ) জনাব আবদুল মজিদ সাহেবের বাড়িতে হাজির হলে ডঃ সিদ্দিকী হতভম্ব হয়ে গেলেন। আর পূর্ব প্রচারিত গাজীউল হকের মৃত দেহের পরিবর্তে জীবিত গাজীউল হককে সশরীরে বগুড়ায দেখে স্তম্ভিত ও হতবাক বগুড়া রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলন কমিটির আহবায়ক ও বগুড়া যুবলীগ সম্পাদক জনাব মহিউদ্দিন আহম্মদ
     আরেকজন জনাব এম,আর, আখতা মুকুল ঐতিহাসিক রক্তস্নাত ২১ শে ফেব্রুয়ারী আমতলার ছাত্র জনসভার পর পরই ঢাকা হতে উধাও হন এবং কোলকাতা নগরীতে নিরাপদ আশ্রয়ে কাল কাটান। জনাব শহীদুল্লাহ কায়সারও তার দল কমিউনিষ্ট পার্টির নির্দেশে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু হাঠাৎ একদিন কমরেড শহীদুল্লাহ কায়সার কলিকাতা  হতে প্রকাশিত কমিউনিষ্ট পার্টির মুখপত্র ‘দৈনিক স্বাধীনতা’ বিক্রি করতে মেডিকেল কলেজ হোষ্টেল আসেন। তাতে ঢাকার পুলিশের গুলির খবর ছিল। আমি তাঁকে পত্রিকাগুলিসহ মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণ হতে বিদা করেছিলাম। উল্লেখ্য, ভারতীয় পত্রিকা ‘স্বাধীনতা’ এদেশে সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি ও বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে-মুসলিম লীগের তলফ থেকে এ ধরণের প্রচারণা ছিল তখন এন্তার। একমাত্র মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি গোলাম মাওলা আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্রে মেডিকেল কলেজ হোস্টেলেই অবস্থান করেন এবং আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত থাকেন। কমিউনিষ্ট পার্টির নির্দেশেই বোধ হয় ঢাকার উত্তপ্ত রাজপথে ২১ শে ফেব্রুয়ারীর রাত হতে জনাব মোঃ তোয়াহ ও আবদুল মতিনকে দেখা যায় নাই। ৭ই মার্চ ‘‘গ্রেফতার দিবস’’ সন্ধ্যা রাতে জনাব তোয়াহা ও আবদুল আন্দোলন সম্বন্ধে আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন এবং সেই সভাতেই সবজনাব সাদেক খান, হেদায়েত হোসেন চৌধুরী, মুজিবল হক ও মীর্জা গোলাম হাফিজের সাথে আমি গ্রেফতার হই। স্বীয় বুদ্ধিমত্তার কারণেই জনাব কাজী গোলাম মাহবুব সভায় উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়। 
     শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ২৬ শে ফেব্রুয়ারী কারামুক্তি পেলেন। কিন্তু ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ আন্দোলনের অগ্নিঝর্রা দিন্গুলোতে ঢাকায় এলন না নেতৃত্বে দিতে । বিদ্রোহের অনলেও ঝাপ দিলেন না। এমনকি খুনী নূরুল আমীনের বিরুদ্ধে ৫ই মার্চ দেশব্যাপী যে হরতালের ডাক দেওয়া হয় শেখ মুজিব তাতে অংশগ্রহণ করে মারমুখো জনতাকে নেতৃত্ব দিতে ঢাকায় আসেন নাই। তারপরও মুখপোড়া আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় দালাল চামচারা বলে ১৯৫২ সালে শেখ মুজিবর নাকি ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। ধিক তাদেরকে । 
     ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের রক্তস্নাাত ২১ শে ফেব্রুয়ারী ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলন যারা  জীবন বাজী রেখে রক্তঝরা দিনগুলোতে সর্বক্ষণ রাজপথ দখ করে রাখে, উত্তপ্ত রাখে এবং আন্দোলন মুখর লাখো সংগ্রামী জনতাকে নেতৃত্ব দেয় জাতির সাচ্চা সন্তান হিসাবে তারা হলেন মেডিক্যাল কলেজ ছাত্র আজমল, আবদুস সালাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মোঃ সুলতান, পূর্ব-পাকিস্তান যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক এডভোকেট মোঃ ইমদাদুল্লাহ, সাহিত্যিক, কবি হাসান হাফিজুর রহমান, প্রফেসর কাজী আজিজুর রহমান, আনিসুজ্জামান, নিয়ামুল বশির, ডাঃ মঞ্জুর হোসেন, আমীর আলী প্রমুখ যুবলীগের শত শত নেতাকর্মী। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সেদিনের ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের আন্দোলন উত্তালমুখর দিনগুলোতে আন্দোলন যারা গড়ে তুলেছিলেন তাদের অনেকের মধ্যে যাদের নাম মনে পড়ে তারা হলেন নারায়নগঞ্জ মর্গান গার্লস স্কুলের হেড মিষ্ট্রেট অকুতোভয় অগ্নিকন্যা মমতাজ বেগম, পূর্ব পাক যুবলীগ সহ-সভাপতি সামসুজ্জোহা, পূর্ব পাক যুবলীগের কেন্দ্রী কমিটির সদস্য সফি হোসেন খাঁন ছাড়াও ডাঃ মুজিবুর রহমান, যুবলীগ নেতা কর্মীবৃন্দ সর্বজনাব মোস্তফা সরওয়ার, গোলাম মোর্শেদ, আলহাজ্ব আজগর হোসেন ভূঁইয়া, ৯ বৎসরের বালক মোসলেউদ্দিন, গোলাম মোর্শেদ, আলহাজ্ব জানে আলম, মফিজ আহমেদ, বজলুর রহমান, সুলতান মাহমুদ মল্লিক, জালাল উদ্দিন আহমেদ, বিচারপতি বদরুদ্দোজা, রহিছ উদ্দিন, মশিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নাজির মুক্তার, নাসির উল্লাহ, মোতালেব, হাবিবুর রহমান, নূরুল ইসলাম মল্লিক, ওয়াকিল মিয়া, খাজা জহিরুল হক, বশির উদ্দিন আহম্মেদ, নাসির উদ্দিন আহম্মেদ, আমীর আলী মিয়া, মোস্তফা মনোয়ার, সাহাবুদ্দিন, নিখিল ও শামসুর রহমান প্রমুখ। 
     বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের জেনারেল সেক্রেটারী দার্শনিক বিল্পবী আবুল হাশেম কর্তৃক সম্পাদিত ৩নং ওয়েলেশলী ষ্ট্রীষ্ট হইতে প্রকাশিত সাপ্তাহিক মিল্লাত পত্রিকায় ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক উপন্যাসিক জনাব কাজী মোহাম্মদ ইদ্রীস। বঙ্গীয় মুসলীম ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে কার্য্যব্যপোদেশে কলিকাতা গমন করিলে ৩ নং ওয়েলেসলী ষ্ট্রীটে অবস্থান করিতাম। তথায় জনাব কাজী মোহাম্মদ ইদ্রীসের  সাথে দেখা ও পরিচয় হয়। ১৯৫০ সালে সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গার কারণে তিনি ঢাকা টলে আসেন। ১৯৫১ সালে ওজিরে আলা নুরুল আমীনের মালিকানায় দৈনিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন নুরুল আমিনের আত্মীয় খায়রুল কবির ও সহ সম্পাদক ছিলেন জহুর হোসেন চৌধুরী। ইদ্রীস ভাই দৈনিক সংবাদে সম্পাদকীয় লিখতে। ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারী পুলিশের গুলিতে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে ইদ্রীস ভাই ২২ শে ফেব্রুয়ারী দৈনিক সংবাদ বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিলেন কিন্তু সম্পাদক জনাব খায়রুল কবির ও সহ সম্পাদক জনাব জহুর হুসেন চৌধুরী  প্রস্তাবটি প্রত্যাখান করেন ফলে তিনি সংবাদ অফিস ছেড়ে চলে গেলেন। আদর্শ পুরুষেরা এরূপই করে-বিবেকের তাড়নায়-আত্মসম্পর্কে অগ্রাধিকার দেয় না। আজকাল সংবাদপত্র জগতে এটা দেখা যায় না।